দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ, অথচ ১১ আসর পরেও কতটা পেশাদার হতে পেরেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গভর্নিং কাউন্সিল? এই প্রশ্ন অবশ্য নিজেরাই সামনে এনেছে তারা। সিলেটে টুর্নামেন্টের ১২তম আসর মাঠে গড়িয়েছে কোনো টাইটেল স্পন্সর ছাড়াই। সাধারণত দ্বিপক্ষীয় কোনো সিরিজের ম্যাচেও ব্যবহৃত স্টাম্পের গায়ে স্পন্সর হওয়া প্রতিষ্ঠানের লোগো সাঁটানো থাকে। অথচ গতকাল শুক্রবার দুই ম্যাচেই খেলা হয়েছে ‘বিপিএল টি-টোয়েন্টি’ লেখা স্টাম্প ব্যবহার করে।
তবে কি স্বত্ব বিক্রি করা পর্যন্তই দায়িত্ব বিসিবির? এবার বেশ কৌশলী পথে হাঁটেন তিনি, ‘দেখবেন, বিশ্বকাপের লোগোতেও কিন্তু স্পন্সরের নাম থাকে না। আমরা আগে সেটি দিয়েছি। এখন স্বত্ব বিক্রির পরও যদি কেউ আগ্রহ না দেখায়, সেটি তো আমাদের দায় নয়।’
বিপিএল ঘিরে প্রশ্ন এখানেই শেষ নয়। টুর্নামেন্ট শুরু হলেও এখনো ট্রফি উন্মোচন করতে পারেনি বিসিবি। হয়নি অধিনায়কদের নিয়ে ফটোশুটও। দেরি হলেও আশা দেখালেন টুর্নামেন্টসংশ্লিষ্ট এক সদস্য, ‘ঢাকা পর্বের আগে ট্রফি উন্মোচন হবে। একই সঙ্গে অধিনায়কদের নিয়ে এক ফাঁকে ফটোশুট করব। এটা আগেই হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে দলগুলো রাজি হয়নি, কারণ অনেকেরই জার্সি প্রস্তুত ছিল না।’
বিপিএলের ট্রফিতে এবার পরিবর্তন আসছে। শুরুতে এই ট্রফি দেশে প্রস্তুত হলেও মান পছন্দ হয়নি বিসিবির। এ জন্য এবার বিদেশ থেকে আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে। চ্যাম্পিয়ন দলকে এবার একটি একেবারে দেওয়া হবে বলে এক জোড়া ট্রফিই আনছে আয়োজকরা। বিসিবির মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, এতে খরচ পড়ছে প্রায় ২৫ হাজার মার্কিন ডলার।
এদিকে চট্টগ্রামের ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়িত্ব নেওয়া বিসিবি মানসম্মত বিদেশি ক্রিকেটার আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে ইফতেখার জানিয়েছিলেন, দলগুলো পারিশ্রমিক দিতে ব্যর্থ হলে সরাসরি চুক্তির ক্রিকেটাররা সব অর্থ পাবেন না; নিলামের ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত মূল্যই দেওয়া হবে। তবে চট্টগ্রামের সরাসরি চুক্তির দুই ক্রিকেটার শেখ মেহেদী হাসান ও তানভীর ইসলাম পুরো অর্থ পাবেন বলে নিশ্চয়তা দেন ইফতেখার, ‘যাদের লিখিত চুক্তি আছে, সেসব খেলোয়াড় ও অফিশিয়ালদের পুরো দায়িত্ব বিসিবিই নেবে।’

