শীতে গোসল আরামদায়ক করার কিছু সহজ উপায়

লাইফস্টাইল স্পেশাল

 

বছরের অন্যান্য সময় গোসল নিয়ে ঝুট-ঝামেলা না থাকলেও শীত শুরু হবার সঙ্গেই প্রাত্যাহিক গোসল নিয়ে অনেকে দ্বিধায় ভোগেন। ঠান্ডা পানিতে গোসলে সর্দি-কাশির প্রকোপ বাড়ার ভয়ে অনেকে দিনের পর দিন গোসল এড়িয়ে যান। আবার অনেকে হালকা গরম পানিতে গোসল সেরে নেন।

তবে, গোসলকে ভয়ের কাজ না বানিয়ে আরামদায়ক অভ্যাসে পরিণত করার কিছু সহজ উপায় আছে। এসব কার্যকরী টিপস গোসলকে শুধু সহনীয়ই করে না, বরং উপভোগ্যও করে তুলতে পারে।  চলুন জেনে নিই টিপসগুলো।

টিপস

গোসলের আগে ৫ মিনিট ওয়ার্ম-আপ করে নিতে পারেন। মধ্যম গতিতে হাঁটাচলা, হাত পা ছড়ানো, অল্প পুশআপে করে নিলে গোসলের ভয় কাটতে সহজ হবে।  গোসলের জন্য হালকা গরম পানি শরীরকে আস্তে আস্তে উষ্ণ করে তোলে। তবে খুব বেশি গরম পানি ব্যবহার করা ঠিক নয়। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে চুলকানি, র্যাশ ও স্কিন ফ্লেকিং বাড়ায়।

গোসলের ৫ মিনিট আগে নারিকেল বা অলিভ অয়েল লাগালে ত্বকের উপর এক ধরনের ‘প্রোটেকশন লেয়ার’ তৈরি হয়। এতে পানি লাগলেও ত্বক অতটা শুষ্ক হয় না। বিশেষ করে যাদের শীতকালে স্কিন ফাটে বা রুক্ষ হয়ে যায়, তাদের জন্য এটি দুর্দান্ত কাজ করে।

যারা ঠান্ডা খুব বেশি সহ্য করতে পারেন না, তারা সকালের পরিবর্তে দুপুরে গোসল করলে আরাম পাবেন। তখন শরীরের স্বাভাবিক উষ্ণতা বাড়তি সুবিধা দেয়।  শরীরকে প্রস্তুত হতে দিন। একেবারে মাথা বা কাঁধে পানি ঢাললে শরীর শকে চলে যায়।  প্রথমে হাত–পা ভিজিয়ে শুরু করুন, এরপর ধীরে ধীরে পুরো শরীর।

গোসলে কত সময় নেওয়া উচিত সে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, শীতে দীর্ঘসময় নিয়ে গোসলের প্রয়োজন নেই। গোসলে ১০-১২ মিনিটে গোসলে কম ঠান্ডা, কম পানি অপচয় এবং ত্বকেরও কম ক্ষতি করে।

সর্বশেষ, শীতকালে ত্বক আর্দ্রতা হারায় খুব দ্রুত। গোসলের ২–৩ মিনিটের মধ্যেই ময়েশ্চারাইজার লাগালে পানি ধরে রাখে।  গোসল শেষে গ্লিসারিন, শিয়া বাটার বা হাইড্রেটিং লোশন খুব ভালো ফল দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *