গ্রীষ্মের আগেই ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চায় যুক্তরাষ্ট্র: জেলেনস্কি

গ্রীষ্মের আগেই ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান চায় যুক্তরাষ্ট্র: জেলেনস্কি

আন্তর্জাতিক স্লাইড

 

রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে গ্রীষ্মের আগেই একটি সমাধানে পৌঁছাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ অবসানের বিষয়ে এমন চাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

শনিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে প্রকাশিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে জেলেনস্কি বলেন, কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যে নতুন দফার আলোচনা প্রস্তাব দিয়েছে ওয়াশিংটন। এই আলোচনা এক সপ্তাহের মধ্যে মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং কিয়েভ এতে সম্মত হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমেরিকানরা প্রস্তাব দিচ্ছে, গ্রীষ্ম শুরু হওয়ার আগেই উভয় পক্ষ যেন যুদ্ধ শেষ করে এবং তারা সম্ভবত এই সময়সূচি মানতে চাপ সৃষ্টি করবে। (মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন) তাদের কাছে অবশ্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা নির্বোধ না হই। আর তারা বলছে, জুনের মধ্যেই সবকিছু শেষ করতে চায়।’

জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন একটি পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছিল। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য জানাননি তিনি।

আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত দুই দিনের শান্তি আলোচনায় বড় কোনও অগ্রগতি না হলেও উভয় পক্ষ ১৫৭ জন করে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে। পাঁচ মাসের বিরতির পর দুই দেশের মাঝে ওই বন্দি বিনিময় আবার শুরু হচ্ছে। জেলেনস্কি বলেছেন, যুদ্ধবন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

ইউক্রেনের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি কীভাবে নজরদারি করা হবে; সে বিষয়ে সামরিক দলগুলো বিস্তারিতভাবে কারিগরি বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছে। ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত চুক্তিও আলোচনায় এসেছে; যাকে কর্মকর্তারা ‘সমৃদ্ধির পরিকল্পনা’ বলে উল্লেখ করছেন। এতে যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেনের পুনর্গঠনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তিনি এমন আলোচনার প্রতিবেদন পেয়েছেন; যেখানে রাশিয়ার বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের সহযোগিতা চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এমন কোনও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ইউক্রেনের সংবিধান লঙ্ঘন করতে পারে না।

সূত্র: রয়টার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *