ঋতুপর্ণার গোলটিকে যে কারণে ‘অলিম্পিক গোল’ বলা হচ্ছে

খেলা স্পেশাল

নেপালের বিপক্ষে শুরুটা ছিল ছন্নছাড়া। টানা তৃতীয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার মিশনে নামা দলের এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্স ভাবিয়ে তুলেছিল। সেই ভাবনায় রেশ টানেন ঋতুপর্ণা চাকমা। তার নেওয়া কর্ণার থেকে শটে বল জড়ায় জালে—অলিম্পিক গোল।

কিন্তু ম্যাচের ৪৫ মিনিটে বাংলার মেসিখ্যাত ঋতুপর্ণার গোলটিকে কেন অলিম্পিক গোল বলা হচ্ছে? কারণ খুঁজতে হলে ফুটবল ইতিহাসে ঢু মারতে হবে।

ফুটবলে কর্নার কিক থেকে কোনো খেলোয়াড়ের স্পর্শ ছাড়াই সরাসরি বল জালে প্রবেশ করলে তাকে ‘অলিম্পিক গোল’ বলা হয়। এ ধরনের গোল তুলনামূলকভাবে বিরল এবং এর জন্য নিখুঁত দক্ষতা, বলের স্পিন ও সঠিক লক্ষ্যভেদের প্রয়োজন হয়।

‘অলিম্পিক গোল’ শব্দটির উৎপত্তি ১৯২৪ সালে। সে বছর আর্জেন্টিনার ফুটবলার সিজারেও ওনজারি কর্নার কিক থেকে সরাসরি উরুগুয়ের বিপক্ষে গোল করেছিলেন। উরুগুয়ে তখন সদ্য অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় সেই গোলকে ‘গোল অলিম্পিকো’ বা ‘অলিম্পিক গোল’ বলা শুরু হয়। পরবর্তীতে ফুটবল বিশ্বে এই নামটিই প্রতিষ্ঠিত হয়।

ওই সূত্র থেকেই ঋতুপর্ণার গোলটি হয়ে গেছে ‘অলিম্পিক গোল।’ বাংলাদেশও ম্যাচটি জিতে নিয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ৬ জুনের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ভারত কিংবা ভুটান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *