গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে যা জানাল হোয়াইট হাউস

আন্তর্জাতিক স্লাইড

 

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপ এবং কানাডার নেতারা আর্কটিক অঞ্চলটি সেখানকার জনগণের মালিকানাধীণ বলে দাবি করার পর এই পদক্ষেপের কথা জানাল যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণকে জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন। যা আর্কটিক অঞ্চলে আমাদের প্রতিপক্ষদের প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয়।

এ কারণে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার দল এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতির লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বলা হয়েছে, এই লক্ষ্য অর্জনে মার্কিন সামরিক বাহিনীকেও ব্যবহার করা হতে পারে।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো প্রচেষ্টা ন্যাটো জোটের জন্য ধাক্কা হতে পারে এবং ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে বিভেদ আরও গভীর করতে পারে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রতি তার আগ্রহ, যা প্রাথমিকভাবে ২০১৯ সালে তার প্রথম মেয়াদে প্রকাশ পেয়েছিল, সম্প্রতি কারাকাসে হামলার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপহরণের পর আবার তা জেগে উঠেছে।

এই অভিযানের প্রতি উৎসাহিত হয়ে ট্রাম্প আরও বলেছেন, পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকান আধিপত্য আর কখনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এছাড়া কলম্বিয়া এবং কিউবা উভয়ের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যক। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি রাশিয়ান এবং চীনা জাহাজগুলো আবৃত করে রেখেছে। যা ডেনমার্কের রক্ষা করার ক্ষমতা নেই।

এদিকে, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড, সেখানে বসবাস করেন মাত্র ৫৭ হাজার মানুষ, তারা বারবার বলেছে যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *